প্রতিবেশী কারা এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সা:-কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,
আমাদের আশপাশের ৪০ বাড়ি পর্যন্ত সবাই প্রতিবেশী। প্রতিবেশীর অধিকার হাক্কুল
এবাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহপাঠী, কর্মক্ষেত্রে
সহকর্মী, যাত্রাপথে সহযাত্রীও প্রতিবেশীর অন্তর্ভুক্ত।
প্রতিবেশীর প্রকারভেদ : প্রতিবেশী তিন প্রকার : ১. মুসলিম আত্মীয় প্রতিবেশী; ২. মুসলিম অনাত্মীয় প্রতিবেশী; ৩. অমুসলিম প্রতিবেশী।
প্রতিবেশীর অধিকার আমানতস্বরূপ : আমানত রক্ষা করা যেমন মুমিনদের জন্য আবশ্যক তেমনি প্রতিবেশীর অধিকার পূর্ণ করাও অবশ্যক। প্রতিবেশীর সম্পদ বা কথা যেকোনো ধরনের আমানত হিফাজত করতে হবে।
সর্বদা প্রতিবেশীর কল্যাণ কামনা করা : পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি, মানুষের কল্যাণের জন্য তোমাদের আবির্ভাব, তোমরা মানুষকে সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে।’ রাসূল সা: বলেছেন, ‘যে মানুষের কল্যাণ চিন্তা করে না সে আমার উম্মত নহে।’ এখানে একজন মুসলমানকে সব মানুষের কল্যাণ কামনার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ‘অন্যের কল্যাণ কামনাই হচ্ছে দ্বীন’ এবং ‘মুসলমান হচ্ছেন তিনি যার মুখ ও হাত থেকে অন্যজন নিরাপদ থাকে।’
প্রতিবেশীর প্রকারভেদ : প্রতিবেশী তিন প্রকার : ১. মুসলিম আত্মীয় প্রতিবেশী; ২. মুসলিম অনাত্মীয় প্রতিবেশী; ৩. অমুসলিম প্রতিবেশী।
প্রতিবেশীর অধিকার আমানতস্বরূপ : আমানত রক্ষা করা যেমন মুমিনদের জন্য আবশ্যক তেমনি প্রতিবেশীর অধিকার পূর্ণ করাও অবশ্যক। প্রতিবেশীর সম্পদ বা কথা যেকোনো ধরনের আমানত হিফাজত করতে হবে।
সর্বদা প্রতিবেশীর কল্যাণ কামনা করা : পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি, মানুষের কল্যাণের জন্য তোমাদের আবির্ভাব, তোমরা মানুষকে সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখবে।’ রাসূল সা: বলেছেন, ‘যে মানুষের কল্যাণ চিন্তা করে না সে আমার উম্মত নহে।’ এখানে একজন মুসলমানকে সব মানুষের কল্যাণ কামনার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ‘অন্যের কল্যাণ কামনাই হচ্ছে দ্বীন’ এবং ‘মুসলমান হচ্ছেন তিনি যার মুখ ও হাত থেকে অন্যজন নিরাপদ থাকে।’



